বিজেপি-র নবান্ন অভিযান : ব্যাপক পুলিশী তৎপরতা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: আজ বিজেপি-র নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার। কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল হাওড়া ব্রিজ সহ বেশ কিছু এলাকা।প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল হাওড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় । মহিলা পুলিশ কর্মীর সংখ্যাও ছিল ব্যাপক। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি-র কর্মী-সর্মথকদের ভিড় আছড়ে পড়ে। জেলার বহু এলাকা থেকে নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা সকাল থেকেই আসতে শুরু করেন। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন স্থান থেকে নবান্ন অভিমুখে এগিয়ে যায়।
অন্যদিকে ৪১ নম্বর নন্দকুমার-কোলাঘাট জাতীয় সড়কের সোনাপেতিয়া টোল প্লাজাতে নবান্ন অভিযানের উদ্দেশ্যে আসা বিজেপি-র সমস্ত বাস আটক করা হয় বলে অভিযোগ । এর প্রতিবাদে রাস্তায় বসেই বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।
অভিযানের শুরুর দিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আটকে দেয় পুলিশ। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর মুখেই ব্যারিকেডে আটক হলেন শুভেন্দু ও লকেট । চললো পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্ত বচসা। বিরোধী দলনেতাকে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
আবার দিলীপ ঘোষের মিছিল আটকাতে বন্ধ করে দেওয়া হয় হাওড়া ব্রিজ। বিজেপির নবান্ন অভিযানকে ঘিরে রীতিমতো তুলকালাম। তিন দিক থেকে বিজেপির নবান্ন ঘেরাও অভিযান। নেতৃত্বে দিলীপ- সুকান্ত-শুভেন্দু ত্রয়ী। আরও রয়েছেন রাজ্যের অন্যান্য নেতৃত্ব। নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হল সাঁতরাগাছিএলাকা।
পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-বৃষ্টি দেখা গেল। প্রতিরোধে পাল্টা জলকামান। বিজেপির নবান্ন অভিযানে কর্মীদের উল্লাস-উচ্ছাসও দেখা গেল। পাশাপাশি শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে বিজেপি-র কর্মী সর্মথকদের ভিড়। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের স্বাগত জানানোর জন্য হাওড়া স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রের খবর, নবান্ন অভিযানে রেলস্টেশনে মিছিল আটকায় কাঁথি থানার পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙে কাঁথি রেল স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারীর এলাকার বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির নবান্ন অভিযানে কলকাতা ও হাওড়ার শহরজুড়ে গুন্ডারাজ-এর অভিযোগ। গ্রেফতার হলেন বেশ কয়েকজন নেতা।
প্রতিনিধির খবর অনুযায়ী জানা যায়, শুভেন্দু অধিকারীকে রাস্তায় আটকে দেয় পুলিশ। ওই মুহূর্তে শুভেন্দু অধিকারী-র মন্তব্য, “নদী সাঁতরে কি সাঁতরাগাছি যাব? দরকার হলে আমায় গ্রেফতার করুন। ” পুলিশের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ বচসার পর আটক হন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে আটক হন রাহুল সিনহা ও লকেট চট্টোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মিছিল আসে সাঁতরাগাছি থেকে। গার্ড রেল দিয়ে ঘেরা হয় কোনা এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ। পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোরালো হতে থাকে। ব্যাপক পুলিশী তৎপরতাও লক্ষ্য করা গিয়েছে। (ছবি: সংগৃহীত)

